Mitra Institution Main রায় ও মার্টিন প্রশ্ন বিচিত্রা প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের উত্তর নবম শ্রেণী বাংলা
6 Mitra Institution (Main)
Mitra Institution Main রায় ও মার্টিন প্রশ্ন বিচিত্রা প্রশ্নপত্রের নির্ভুল ও বিস্তারিত সমাধান নিচে দেওয়া হলো:
১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : Mitra Institution Main
১.১ “বিপাকে ভবন ছাড়ি প্রজা দিল রড়।।” - ‘রড়' শব্দের অর্থ —
(ক) ভয়, (খ) পালানো, (গ) ছুট বা দৌড়, (ঘ) শান্ত হওয়া।
উত্তর: (গ) ছুট বা দৌড়।
১.২ কত বছর পরিশ্রম করে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি করেছিল?
(ক) পঁচিশ বছর, (খ) পনেরো বছর, (গ) পঁয়তাল্লিশ বছর, (ঘ) পঁয়ত্রিশ বছর।
উত্তর: (ঘ) পঁয়ত্রিশ বছর।
১.৩ শকুন্তলার পালক পিতা ছিলেন –
(ক) মহর্ষি বিশ্বামিত্র, (খ) মহর্ষি দুর্বাসা, (গ) মহর্ষি কণ্ব, (ঘ) মহর্ষি গৌতম।
উত্তর: (গ) মহর্ষি কণ্ব।
১.৪ কালির রং কীভাবে বদল হচ্ছিল?
(ক) সবুজ > নীল > লাল > হলুদ, (খ) হলুদ > সবুজ > নীল > লাল, (গ) সবুজ > লাল > নীল > হলুদ, (ঘ) সবুজ > হলুদ > নীল > লাল।
উত্তর: (গ) সবুজ > লাল > নীল > হলুদ।
১.৫ কালি > কাইল কোন্ জাতীয় ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
(ক) অভিশ্রুতি, (খ) স্বরসংগতি, (গ) অপিনিহিতি, (ঘ) ধ্বনি বিপর্যয়।
উত্তর: (গ) অপিনিহিতি।
১.৬ ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি হল –
(ক) মিলন, (খ) যোগ, (গ) বিস্তার, (ঘ) ভাগাভাগি।
উত্তর: (ক) মিলন।
২। কমবেশি ১৫টি শব্দে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :
২.১ কবির তরি নিয়ে বেরোনোর উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: কবি অজিত দত্তের তরি নিয়ে বেরোনোর উদ্দেশ্য হলো জাগতিক বন্ধন ছিন্ন করে অজানার উদ্দেশ্যে বা সুদূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়া।
২.২ টাফার সভ্যতা কত প্রাচীন?
উত্তর: টাফার সভ্যতা পৃথিবীর চেয়ে অন্তত এক লক্ষ বছরের প্রাচীন।
২.৩ আদিস্বরাগম কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের শুরুতে কোনো স্বরধ্বনি এলে তাকে আদিস্বরাগম বলে। যেমন: স্কুল > ইশকুল।
২.৪ ব্যঞ্জনসন্ধি কতভাবে ঘটতে পারে ও কী কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর: ব্যঞ্জনসন্ধি প্রধানত তিনভাবে ঘটে: (১) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন (উত + চারণ = উচ্চারণ), (২) স্বর + ব্যঞ্জন (প্র + চ্ছদ = প্রচ্ছদ), (৩) ব্যঞ্জন + স্বর (দিক + অন্ত = দিগন্ত)।
২.৫ ‘আমার ছাত্র আমাকে অমর করে দিয়েছে।' - কাকে, কে অমর করে দিয়েছে?
উত্তর: ‘দাম’ গল্পে অংকের মাস্টারমশাইকে তাঁর ছাত্র সুকুমার অমর করে দিয়েছে।
২.৬ ধীবরের বৃত্তি ও পরিচয় শুনে রাজ-শ্যালক কী ব্যঙ্গোক্তি করেছিলেন?
উত্তর: রাজ-শ্যালক ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন— "তা তোর জীবিকাটি তো বেশ পবিত্র দেখছি!" অর্থাৎ মাছ মেরে জীবন ধারণ করাকে তিনি উপহাস করেছিলেন।
৩। প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কমবেশি ৬০ শব্দে উত্তর দাও : Mitra Institution Main
৩.১ ‘প্রজা ভাবয়ে বিষাদ।’ - প্রজাদের মন বিষাদগ্রস্ত কেন?
উত্তর: কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কাব্যাংশে দেবী চণ্ডীর মায়ায় কলিঙ্গদেশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে আসে। ঘন কালো মেঘে আকাশ ঢাকা পড়ে সূর্যরশ্মি অদৃশ্য হয়। প্রবল বজ্রপাত, মুষলধারে বৃষ্টি এবং ঝড়ে ঘরবাড়ি ও শস্য নষ্ট হতে থাকে। এই আসন্ন বিনাশ ও চরম অনিশ্চয়তার কথা ভেবে প্রজারা বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।
৩.২ ‘নোঙর’ কবিতায় কবি কীভাবে সিন্ধযাত্রার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তা লেখো।
উত্তর: কবি অজিত দত্ত সিন্ধযাত্রার জন্য তাঁর তরীটি সাজিয়েছিলেন। তিনি নিপুণভাবে দাঁড় টেনে নৌকার গতি বাড়াতে চেয়েছেন। দিক নির্ণয়ের জন্য আকাশের সপ্তর্ষিমণ্ডলের দিকে লক্ষ্য রেখে সিন্ধুর অসীমতায় পাড়ি দেওয়ার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। যদিও তাঁর তরীটি মায়াবন্ধনের নোঙরে আটকে ছিল, তবুও তাঁর কামনার জোয়ার ছিল সমুদ্রপানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
৪। কমবেশি ৬০ শব্দে নীচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
৪.১ “স্বর্গের দরজাতেও ঠিক ওই কথাই লেখা রয়েছে - কোন্ কথা? কোথায় লেখা ছিল? কে, কাদের উদ্দেশে একথা বলেছে?
উত্তর: কথাটি হলো— "অঙ্ক জানি না বলিয়া যাহারা গর্ব করে, তাহারা এখানে প্রবেশ করিবে না।" এটি গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর একাডেমির দরজায় লেখা ছিল। ‘দাম’ গল্পের অংকের মাস্টারমশাই তাঁর ক্লাসের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে একথা বলেছিলেন।
৪.২ ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম কী? সে কীভাবে স্বামীকে সাহায্য করত?
উত্তর: ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম শাম-শেমাগি। সে ছিল অত্যন্ত কর্মঠ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে সে ঘোড়ী দোয়ানো, কুমিশ তৈরি করা এবং পনির ও পশম তৈরির কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম করত। অতিথিদের আপ্যায়নেও সে ছিল দক্ষ।
৫। কমবেশি ৬০ শব্দে নীচের প্রশ্নের উত্তর দাও : Mitra Institution Main
৫.১ শকুন্তলা কীভাবে রাজা দুষ্মন্তের রাজসভায় অপমানিতা হয়েছিলেন?
উত্তর: মহর্ষি দুর্বাসার শাপে রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। শকুন্তলা যখন গর্ভবতী অবস্থায় রাজসভায় উপস্থিত হন, রাজা তাঁকে চিনতে অস্বীকার করেন এবং তাঁর সতীত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রত্যাখ্যান করেন। শকুন্তলা তাঁর পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে আংটিটি দেখাতে চাইলে দেখেন সেটিও হারিয়ে গেছে, ফলে তিনি রাজসভায় চরম অপমানিতা হন।
৫.২ ‘আপনারা অনুগ্রহ করে শুনুন।” - বক্তা কে? তার বক্তব্যটি কী?
উত্তর: বক্তা হলো মহাকবি কালিদাসের ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের ধীবর বা জেলে। তার বক্তব্য ছিল এই যে, সে চোর নয়। সে পেশায় একজন জেলে এবং জাল ফেলে একটি রুই মাছ ধরার পর সেটি কাটার সময় মাছের পেটে মণি-খচিত আংটিটি পায়। সে সেটি বিক্রি করতে চেয়েছিল মাত্র, চুরি করেনি।
৬। কমবেশি ১৫০ শব্দে নীচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
৬.১ ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি' কাব্যাংশ অবলম্বনে প্রজাদের দুরবস্থার পরিচয় দাও।
উত্তর: কলিঙ্গদেশে দেবী চণ্ডীর রোষে সাত দিন ধরে চলা প্রলয়ঙ্করী ঝড়-বৃষ্টিতে প্রজাদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছিল। আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যাওয়ায় প্রজারা নিজেদের হাত-পা পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিল না। মুষলধারে বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও পথঘাট জলমগ্ন হয়ে যায়। শস্যের ক্ষেত বৃষ্টির দাপটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নষ্ট হয়। ঘরের চাল ফুটো করে তালের মতো বড় বড় শিলা পড়তে থাকে। গর্তে জল ঢুকে যাওয়ায় সাপেরা ডাঙায় ভেসে বেড়ায়। নিরূপায় প্রজারা ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড় দেয়। দেবী চণ্ডীর আদেশে বীর হনুমান লড়কে মঠ ও অট্টালিকা ধ্বংস করতে থাকে। এমন ভয়াবহ সংকটে প্রজারা বিপদমুক্ত হতে ঋষি জৈমিনিকে স্মরণ করতে থাকে।
৬.২ ‘পাড়ি দিতে দূর সিন্ধুপারে’ – দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা কবিতায় কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: ‘নোঙর’ কবিতায় সুদূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা কবির চিরকালীন মুক্তির তৃষ্ণাকে ব্যক্ত করে। সিন্ধু বা সমুদ্র এখানে অসীমত্বের প্রতীক। কবির মন বর্তমানের সংকীর্ণ গণ্ডি এবং সংসারের মায়াবন্ধন ছিন্ন করে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে চায়। তিনি সাত সমুদ্রের ওপারে যেখানে জীবনের নতুন বৈচিত্র্য আছে, সেখানে পৌঁছাতে চান। কবির এই আকাঙ্ক্ষা গভীর ছিল বলেই তিনি সারারাত মিছে দাঁড় টেনেছেন। জোয়ারের ঢেউগুলো যখন সমুদ্রের টানে ফুলে ওঠে, তখন কবির হৃদয়ের বাসনাও সেই সমুদ্রের অভিমুখেই ধাবিত হয়। বন্ধনমুক্ত জীবনের এই তীব্র ইচ্ছাই কবিতার মূল সুর।
৭। কমবেশি ১৫০ শব্দে নীচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
৭.১ “সত্যি, ভাগ্য যেন চাকার মতো ঘোরে;” কখন একথা বলা হয়েছে? একথা বলার কারণ কী?
উত্তর: লিও তলস্তয়ের ‘ইলিয়াস’ গল্পে যখন একসময়ের ধনী ও প্রভাবশালী ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী শাম-শেমাগি পঁচিশ বছর পরিশ্রমের পর বৃদ্ধ বয়সে সর্বহারা হয়ে প্রতিবেশী মহম্মদ শাহের বাড়িতে মজুরের কাজ নিতে বাধ্য হন, তখন এই উক্তিটি করা হয়েছে।
কারণ: ভাগ্য পরিবর্তনশীল। ইলিয়াস দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর পরিশ্রম করে প্রচুর ঘোড়া, ভেড়া ও গরুর মালিক হয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে মড়ক, দুর্ভিক্ষ ও ঘোড়া চুরির ফলে তিনি নিঃস্ব হয়ে যান। যে ইলিয়াসের বাড়িতে একদিন অনেক অতিথি আপ্যায়িত হতো, আজ তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে অন্যের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বা মজুরি করে জীবন কাটাতে হচ্ছে। চাকার উপরের অংশ যেমন নিচে যায় এবং নিচের অংশ উপরে আসে, ইলিয়াসের জীবনেও তেমনই সমৃদ্ধি ও দারিদ্র্যের চক্র আবর্তিত হয়েছে।
৭.২ “স্কুলে কী বিভীষিকাই যে ছিলেন ভদ্রলোক!” - ভদ্রলোকের চরিত্র আলোচনা করো।
উত্তর: ‘দাম’ গল্পের অংকের মাস্টারমশাই ছিলেন একজন কড়া শাসনপ্রিয় আদর্শবাদী শিক্ষক।
- ভীতিপ্রদ ব্যক্তিত্ব: তাঁর গর্জন এবং হাতের চড় ছাত্রদের কাছে ছিল বিভীষিকার মতো। অংক না পারলে তিনি ছাত্রদের নিদারুণভাবে প্রহার করতেন।
- অংকপ্রেম: তিনি বিশ্বাস করতেন অংক হলো বুদ্ধির পরীক্ষা। তাঁর মতে, অংক না জানাটা লজ্জার এবং ক্ষমার অযোগ্য।
- ছাত্রবৎসল: গল্পের শেষে দেখা যায়, বাইরে তিনি কঠোর হলেও অন্তরে ছিলেন অত্যন্ত কোমল ও ছাত্রবৎসল। সুকুমারের একটি সাধারণ লেখাকে তিনি সযত্নে আগলে রেখেছিলেন এবং সমালোচনাকেও ছাত্রের স্নেহ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর কাছে ছাত্রের সাফল্যই ছিল জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
৮। কমবেশি ১৫০ শব্দে নীচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
৮.১ ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' অবলম্বনে মঙ্গল থেকে টাফা অভিযানের বর্ণনা দাও।
উত্তর: মঙ্গলগ্রহের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ও জানোয়ারের আক্রমণের পর প্রোফেসর শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীরা রকেটে করে মঙ্গল ত্যাগ করেন। মহাকাশে বিচরণকালে তাঁরা পথ হারিয়ে ফেলেন এবং শেষ পর্যন্ত 'টাফা' নামক এক ক্ষুদ্র গ্রহে পৌঁছান। টাফার পরিবেশ ছিল শান্ত ও স্নিগ্ধ। এখানকার আকাশ গাঢ় নীল এবং বাতাস অত্যন্ত সতেজ। এখানকার বাসিন্দারা ছিল অত্যন্ত উন্নত হৃদয়ের এবং দয়ালু। তারা দেখতে অদ্ভুত— বড় মাথা ও স্থির চোখের অধিকারী। টাফাবাসীরা শঙ্কুদের পরম যত্নে আপ্যায়ন করে এবং ফলমূল খেতে দেয়। মঙ্গলের সেই বিভীষিকার পর টাফা ছিল শঙ্কুদের কাছে এক স্বর্গীয় আশ্রমের মতো।
৮.২ ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র প্রোফেসর শঙ্কু। গল্পে তাঁর যে পরিচয় পাওয়া যায় তা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু হলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং আবিষ্কারক। তিনি গিরিডির বাসিন্দা।
- আবিষ্কারক: তিনি মিরাকিউরল (সর্বরোগহর ওষুধ), অ্যারোফাঁট (রকেটের জ্বালানি) এবং বিধুশেখরের মতো রোবট তৈরি করেছেন।
- সাহসী ও অনুসন্ধিৎসু: নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি মহাকাশ অভিযানে বেরিয়ে পড়েন। মঙ্গলের প্রতিকূল পরিবেশে তিনি ধৈর্য ও বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন।
- বিচিত্র ডায়রি: তাঁর ডায়রি ছিল অবিনশ্বর— যা আগুনে পোড়ে না বা ছিঁড়ে যায় না।
- মানুষ ও প্রাণিপ্রেমী: তিনি নিজের ভৃত্য প্রহ্লাদ এবং পোষা বিড়াল নিউটনকে অভিযানে সঙ্গী করে নিয়ে গেছেন, যা তাঁর মমতাশীল হৃদয়ের পরিচয় দেয়।
৯। কমবেশি ১২৫ শব্দে ভাবসম্প্রসারণ করো :
৯.১ অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে / তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।
মূলভাব: অন্যায় করা যেমন অপরাধ, অন্যায় সহ্য করা বা দেখেও চুপ থাকাও সমান অপরাধ। ঈশ্বরের ঘৃণা উভয়কেই সমানভাবে দগ্ধ করে।
সম্প্রসারিত ভাব: সমাজে একশ্রেণির মানুষ দম্ভ ও শক্তিবলে দুর্বলদের ওপর অত্যাচার চালায়। তারা অপরাধী। কিন্তু যারা এই অন্যায় নীরবে সহ্য করে বা ভয়ে প্রতিবাদ করে না, তারা সেই অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়। অন্যায়কে মেনে নেওয়া মানে অধর্মকে প্রশ্রয় দেওয়া। প্রতিবাদী চেতনা ছাড়া সমাজ কখনও সুন্দর হতে পারে না। তাই যিনি অন্যায়কারী এবং যিনি অন্যায়ের মুখ বুজে মেনে নেন, তারা উভয়েই সমাজের আদর্শের শত্রু।
৯.২ মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, / মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
মূলভাব: কবি এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে চান না। তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকতে চান।
সম্প্রসারিত ভাব: মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু এই পৃথিবী রূপ-রস-গন্ধে অপরূপ। কবি মানুষের মিলনমেলা ও পৃথিবীর এই সৌন্দর্যকে গভীরভাবে ভালোবাসেন। তাই তিনি মৃত্যুভয়ে ভীত নন, বরং তিনি চান মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করে তাদের হৃদয়ে স্থান করে নিতে। মৃত্যুর পরেও যদি কেউ মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকেন তাঁর মহৎ কাজের মধ্য দিয়ে, তবেই তাঁর জীবন সার্থক। লোকলোচনের অন্তরালে না গিয়ে মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্যেই অমরত্ব লাভ করাই কবির কাম্য।
ব্যক্তিগত পরামর্শ:
পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য সন্ধি ও ধ্বনি পরিবর্তনের সূত্রগুলো উদাহরণসহ মুখস্থ করবে। বড় প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় গল্পের বা কবিতার প্রাসঙ্গিক পঙ্ক্তিগুলো উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার করলে উত্তরের মান বাড়ে।




0 মন্তব্যসমূহ
Please do not send any bad messages or add any spam links.