নবম শ্রেণীর ভূগোল ১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন: বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল সমাধান | রায় ও মার্টিন ২০২৬
নবম শ্রেণীর ভূগোল (Geography) প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের অন্তর্গত বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল (Baghbazar Multipurpose Girls' School)-এর প্রশ্নপত্রের নির্ভুল সমাধান নিচে দেওয়া হলো।
নবম শ্রেণীর ভূগোল ১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন সমাধান ২০২৬
বিভাগ-ক নবম শ্রেণীর ভূগোল ১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো :
(i) পৃথিবীতে জলের পরিমাণ শতকরা —
(a) 60 ভাগ, (b) 70.08 ভাগ, (c) 40 ভাগ, (d) 20 ভাগ।
উত্তর: (b) 70.08 ভাগ। (অনেক ক্ষেত্রে একে সংক্ষেপে ৭১ শতাংশও বলা হয়)।
(ii) সৌরজগতের সবচেয়ে ছোটো গ্রহ হল —
(a) মঙ্গল, (b) পৃথিবী, (c) প্লুটো, (d) বুধ।
উত্তর: (d) বুধ। (প্লুটো বর্তমানে একটি বামন গ্রহ হিসেবে গণ্য হয়)।
(iii) পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি —
(a) বৃহদাকার, (b) উপবৃত্তাকার, (c) বর্গাকার, (d) আয়তাকার।
উত্তর: (b) উপবৃত্তাকার।
(iv) 21 মার্চ তারিখটিকে কী বলে?
(a) কর্কটসংক্রান্তি, (b) মহাবিষুব, (c) মকরসংক্রান্তি, (d) জলবিষুব।
উত্তর: (b) মহাবিষুব।
(v) নিরপেক্ষ বস্তু থেকে সম্পদ সৃষ্টি হয় —
(a) শ্রমশক্তির সাহায্যে, (b) সংস্কৃতির দ্বারা, (c) উভয়ের দ্বারাই, (d) কোনোটিই নয়।
উত্তর: (c) উভয়ের দ্বারাই।
(vi) একটি পুনর্ভব সম্পদ হল —
(a) আকরিক লোহা, (b) কয়লা, (c) সূর্যালোক, (d) খনিজ তেল।
উত্তর: (c) সূর্যালোক।
(vii) আকরিক লোহা উত্তোলনে ভারতের স্থান বিশ্বে —
(a) তৃতীয়, (b) চতুর্থ, (c) পঞ্চম, (d) ষষ্ঠ।
উত্তর: (b) চতুর্থ। (তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে, তবে পাঠ্যবই অনুযায়ী চতুর্থ স্থানটিই প্রচলিত)।
বিভাগ-খ নবম শ্রেণীর ভূগোল ১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
২. A. শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখো :
(i) বস্তু নয়, বস্তুর কার্যকারিতাই সম্পদ।
উত্তর: শু (এটি অধ্যাপক জিমারম্যানের বিখ্যাত উক্তি)।
(ii) মেরু অঞ্চলে 6 মাস দিন ও 6 মাস রাত্রি হয়।
উত্তর: শু (পৃথিবীর অক্ষের হেলানো অবস্থানের কারণে এটি ঘটে)।
(iii) পৃথিবীর নিরক্ষীয় প্রদেশ কিছুটা চাপা।
উত্তর: অ (পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চল স্ফীত এবং মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা)।
B. শূন্যস্থান পূরণ করো :
(i) মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে নীল রঙে দেখা যায়।
(ii) নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের গতিবেগ সর্বাধিক।
(iii) বায়ুপ্রবাহ একধরনের অফুরন্ত বা পুনর্ভব সম্পদ।
(iv) ভারত সরকার ১৯৭৫ সালে NTPC (National Thermal Power Corporation) স্থাপন করেন।
C. এক কথায় উত্তর দাও :
(i) কে প্রথম অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ সহযোগে পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করেছিলেন?
উত্তর: টলেমি (Ptolemy)।
(ii) কোন্ দিন বা তারিখটিকে ‘অধিদিন’ বলা হয়?
উত্তর: ২৯শে ফেব্রুয়ারি (29th February)।
(iii) অতি উচ্চমানের লোহার আকরিকটির নাম কী?
উত্তর: ম্যাগনেটাইট (Magnetite)।
(iv) জিমারম্যান কোন্ দেশের ভৌগোলিক?
উত্তর: আমেরিকার (American)।
বিভাগ-গ
৩. অতি-সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :
(i) GPS-এর সম্পূর্ণ অর্থ কী? এর কাজ কী?
উত্তর: GPS-এর সম্পূর্ণ অর্থ হলো Global Positioning System (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম)।
কাজ: ভূপৃষ্ঠের যেকোনো স্থানের সঠিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ), উচ্চতা এবং সময় নির্ণয় করা এর প্রধান কাজ। এটি জাহাজ, বিমান ও গাড়ি চলাচলের পথ নির্দেশিকা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
অথবা, পৃথিবীর নিম্নতম স্থানের নাম কী এবং তার গভীরতা কত?
উত্তর: পৃথিবীর নিম্নতম স্থানের নাম প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাতের ‘চ্যালেঞ্জার ডিপ’ (Challenger Deep)। এর গভীরতা প্রায় ১০,৯১১ মিটার (বা ১১,০৩৩ মিটার)।
(ii) অপসূর ও অনুসূর কাকে বলে?
উত্তর: * অপসূর: ৪ঠা জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি (প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি) হয়, একে অপসূর অবস্থান বলে।
অনুসূর: ৩রা জানুয়ারি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম (প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি) হয়, একে অনুসূর অবস্থান বলে।
অথবা, রবিমার্গ কী?
উত্তর: আকাশমণ্ডলের যে কাল্পনিক পথ ধরে সূর্যকে সারাবছর চলাচল করতে দেখা যায় (উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়ন), তাকে রবিমার্গ বা সূর্যের আপাত বার্ষিক গতিপথ বলা হয়।
(iii) খনিজ তেলকে 'তরল সোনা' বলা হয় কেন?
উত্তর: বর্তমান আধুনিক শিল্প-সভ্যতা ও যাতায়াত ব্যবস্থায় খনিজ তেলের গুরুত্ব অপরিসীম। এর বহুমুখী উপযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যধিক মূল্যের কারণে খনিজ তেলকে ‘তরল সোনা’ (Liquid Gold) বলা হয়।
অথবা, জলবিদ্যুৎকে ‘সাদা কয়লা' বলা হয় কেন?
উত্তর: কয়লা যেমন শক্তির প্রধান উৎস, জলবিদ্যুৎও তেমনই একটি পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস। কয়লা কালো রঙের এবং ব্যবহারের পর ছাই বা ধোঁয়া উৎপন্ন করে, কিন্তু জলবিদ্যুৎ পরিচ্ছন্ন ও সাদা জলের স্রোত থেকে উৎপন্ন হয় বলে একে ‘সাদা কয়লা’ (White Coal) বলা হয়।
বিভাগ-ঘ
৪. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :
(i) অপ্রচলিত শক্তির অসুবিধাগুলি কী কী?
উত্তর: অপ্রচলিত শক্তির (যেমন— সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি) প্রধান অসুবিধাগুলি হলো:
১. এই শক্তি উৎপাদনের প্রাথমিক পরিকাঠামো তৈরির খরচ অত্যন্ত বেশি।
২. এগুলি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল (যেমন— মেঘলা দিনে সৌরশক্তি বা বাতাস না থাকলে বায়ুশক্তি পাওয়া যায় না)।
৩. এই শক্তি উৎপাদনের জন্য বিশাল জায়গার প্রয়োজন হয়।
অথবা, সম্পদ সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতি উল্লেখ করো।
উত্তর: সম্পদ সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতি হলো:
১. সম্পদের পুনর্ব্যবহার: লোহা বা প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা।
২. বিকল্প সম্পদের ব্যবহার: গচ্ছিত সম্পদের বদলে প্রবাহমান সম্পদের (যেমন— কয়লার বদলে সৌরশক্তি) ব্যবহার বাড়ানো।
৩. অপচয় রোধ: আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পদের অপচয় কমিয়ে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
(ii) নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোনো ঋতু পরিবর্তন হয় না কেন?
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ে। ফলে এখানকার উষ্ণতা সারাবছর প্রায় একই থাকে এবং দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যও প্রায় সমান হয়। তাপমাত্রার বিশেষ পার্থক্য না হওয়ায় এই অঞ্চলে কোনো ঋতু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় না; এখানে সারাবছরই গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
অথবা, দক্ষিণ গোলার্ধের অধিবাসীরা গ্রীষ্মকালে বড়োদিন পালন করে কেন?
উত্তর: ২৫শে ডিসেম্বর যখন যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন) পালন করা হয়, তখন সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে ঝুলে থাকে (মকর সংক্রান্তির কাছাকাছি সময়)। ফলে উত্তর গোলার্ধে তখন শীতকাল থাকলেও দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ায় সেখানে তখন গ্রীষ্মকাল থাকে। তাই অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আমেরিকার মতো দেশের মানুষ গ্রীষ্মকালেই বড়দিন পালন করে।
(iii) অভিগত গোলক বলতে কী বোঝো? চিত্র দাও।
উত্তর: যে গোলকের মেরু অঞ্চল সামান্য চাপা এবং নিরক্ষীয় অঞ্চল কিছুটা স্ফীত বা ফোলা, তাকে অভিগত গোলক (Oblate Spheroid) বলে। পৃথিবীর নিজস্ব আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে পৃথিবী পুরোপুরি গোল না হয়ে এমন আকৃতি ধারণ করেছে।
অথবা, পৃথিবী অভিগত গোলকাকার এর সপক্ষে তিনটি প্রমাণ দাও।
উত্তর: ১. পৃথিবীর পরিধি: নিরক্ষীয় পরিধি (৪০,০৭৫ কিমি) মেরু পরিধির (৪০,০০৮ কিমি) চেয়ে প্রায় ৬৭ কিমি বেশি।
২. পৃথিবীর ব্যাস: নিরক্ষীয় ব্যাস (১২,৭৫৭ কিমি) মেরু ব্যাসের (১২,৭১৪ কিমি) চেয়ে ৪৩ কিমি বেশি।
৩. বস্তুর ওজন: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চল কাছে হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন বেশি হয় এবং নিরক্ষীয় অঞ্চল দূরে হওয়ায় সেখানে ওজন কিছুটা কম হয়।
বিভাগ-ঙ
৫. প্রশ্নের উত্তর দাও :
(i) পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির পাঁচটি ফলাফল উল্লেখ করো : ৫
উত্তর: পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে তার কক্ষপথে নির্দিষ্ট সময়ে যে ঘুরে আসে, তাকে পরিক্রমণ গতি বলে। এর পাঁচটি প্রধান ফলাফল হলো:
১. দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি: পৃথিবীর পরিক্রমণ এবং অক্ষের হেলানো অবস্থানের কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন বড় ও রাত ছোট (বা উল্টোটা) হয়। যেমন— ২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয়।
২. ঋতু পরিবর্তন: সূর্যের সাপেক্ষে পৃথিবীর অবস্থান বদলানোর ফলে ভূপৃষ্ঠে উত্তাপের তারতম্য ঘটে। এর ফলে পর্যায়ক্রমে গ্রীষ্ম, শরৎ, শীত ও বসন্ত—এই ঋতুচক্র আবর্তিত হয়।
৩. সূর্যের আপাত বার্ষিক গতি (রবিমার্গ): পরিক্রমণের ফলে সূর্যকে সারাবছর আকাশমণ্ডলে উত্তর ও দক্ষিণ দিকে সরতে দেখা যায়। একেই সূর্যের আপাত বার্ষিক গতি বা রবিমার্গ বলে।
৪. কর্কটসংক্রান্তি ও মকরসংক্রান্তি: ২১শে জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখায় এবং ২২শে ডিসেম্বর মকরক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। একে যথাক্রমে কর্কটসংক্রান্তি ও মকরসংক্রান্তি বলে।
৫. বিষুব (Equinox): পরিক্রমণকালে ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়।
(ii) জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুকূল পরিবেশ আলোচনা করো : ৫
উত্তর: জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ক. প্রাকৃতিক পরিবেশ:
১. বন্ধুর ভূপ্রকৃতি: পাহাড়ি বা মালভূমি অঞ্চলে নদীর স্রোত বেশি থাকে, যা টারবাইন ঘোরানোর জন্য উপযুক্ত।
২. পাহাড়ি ঢাল ও জলপ্রপাত: খাড়া ঢাল বা জলপ্রপাত থাকলে জলের গতিবেগ বাড়ে, ফলে সহজে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
৩. নদীর সারাবছর জলপ্রবাহ: খরস্রোতা নদীতে সারাবছর জল থাকা প্রয়োজন (বিশেষত বরফগলা জলে পুষ্ট নদী)।
৪. জলাধার তৈরির সুবিধা: সংকীর্ণ গিরিখাত থাকলে বাঁধ দিয়ে বড় জলাধার তৈরি করা সহজ হয়।
খ. অর্থনৈতিক পরিবেশ:
১. উন্নত প্রযুক্তি: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন।
২. চাহিদা ও বাজার: কাছাকাছি শিল্পাঞ্চল বা জনবসতি থাকলে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে।
৩. মূলধন: বাঁধ নির্মাণ ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়।
বিভাগ-চ
৬. ভারতের রেখামানচিত্র (Map Pointing) :
নিচের নির্দেশিকা অনুযায়ী আপনার পরীক্ষার ম্যাপে চিহ্নিত করুন:
- (i) দিল্লি: উত্তর ভারতের কেন্দ্রে অবস্থিত ভারতের রাজধানী। (একটি ছোট বৃত্ত দিয়ে চিহ্নিত করুন)।
- (ii) খাম্বাত উপসাগর: গুজরাটের দক্ষিণ দিকে খাম্বাত বা ক্যাম্বে উপসাগর। (একটি খাঁজকাটা জলভাগ)।
- (iii) ভারতের বৃহত্তম লিগনাইট খনি: তামিলনাড়ুর নেইভেলি (Neyveli)। (দক্ষিণ ভারতে একটি বর্গাকার চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করুন)।
- (iv) বেঙ্গালুরু: দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে অবস্থিত। (ভারতের সিলিকন ভ্যালি হিসেবে পরিচিত)।
- (v) পোখরান (সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র): রাজস্থানের থর মরুভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। (পশ্চিম ভারতে একটি সূর্যের মতো চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করুন)।
Call to Action (CTA)
১. এনগেজমেন্ট বাড়াতে:
এই সমাধানটি আপনার কেমন লাগল?
আমাদের দেওয়া উত্তরগুলো কি আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করছে? কোনো বিশেষ প্রশ্ন বা মানচিত্র চিহ্নিতকরণ নিয়ে সমস্যা থাকলে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানান। আপনার মতামত আমাদের আরও উন্নত কন্টেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করে!
২. পরবর্তী ধাপের জন্য:
আরও স্কুলের সমাধান চান?
কেবল ভূগোল নয়, আমাদের ওয়েবসাইটে নবম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান এবং ইতিহাসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্কুলের (যেমন আরামবাগ হাই স্কুল বা জলপাইগুড়ি জিলা স্কুল) সমাধানও পাওয়া যাচ্ছে।
৩. বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে:
পরীক্ষার প্রস্তুতি হোক সবার সাথে!
আপনার বন্ধুদেরও এই গুরুত্বপূর্ণ সমাধানগুলো দেখার সুযোগ করে দিন। নিচের WhatsApp বা Facebook বাটনে ক্লিক করে পোস্টটি শেয়ার করুন এবং তাদের সাহায্য করুন।
FAQ নবম শ্রেণীর ভূগোল ১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
প্রশ্ন ১: নবম শ্রেণীর ভূগোলে 'অধিদিন' বা Leap Day বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পৃথিবীর সূর্যকে পরিক্রমণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। এই বাড়তি সময়কে সমন্বয় করতে প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের সাথে ১ দিন যোগ করে মাসটিকে ২৯ দিনের করা হয়। এই ২৯শে ফেব্রুয়ারি তারিখটিকেই ‘অধিদিন’ বলা হয়।
প্রশ্ন ২: সৌরজগতের কোন গ্রহটি সবচেয়ে ছোট এবং কেন?
উত্তর: সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ (Mercury)। আগে প্লুটোকে ক্ষুদ্রতম ধরা হতো, কিন্তু ২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন প্লুটোকে ‘বামন গ্রহ’ হিসেবে ঘোষণা করায় বর্তমানে বুধই ক্ষুদ্রতম গ্রহের মর্যাদা পায়।
প্রশ্ন ৩: খনিজ তেল ও জলবিদ্যুতের মধ্যে কোনটি বেশি পরিবেশবান্ধব?
উত্তর: জলবিদ্যুৎ বেশি পরিবেশবান্ধব। কারণ খনিজ তেল একটি অনবীকরণযোগ্য সম্পদ যা দহনের ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও দূষণ ছড়ায়। অন্যদিকে, জলবিদ্যুৎ একটি পুনর্ভব ও পরিচ্ছন্ন শক্তির উৎস, যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।
প্রশ্ন ৪: দক্ষিণ গোলার্ধে কেন গ্রীষ্মকালে বড়দিন পালিত হয়?
উত্তর: ২৫শে ডিসেম্বর যখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল, তখন সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে অর্থাৎ মকর সংক্রান্তির কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। এই কারণেই অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে বড়দিন পালিত হয়।




0 মন্তব্যসমূহ
Please do not send any bad messages or add any spam links.