তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার গল্প প্রশ্ন উত্তর Teacj Sanjib

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার গল্প প্রশ্ন উত্তর Teacj Sanjib

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার

তেৎসুকো কুরোয়ানাগি

তোত্তো-চানের অ্যাডভেঞ্চার গল্পের কিছু প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করা হয়েছে এই আটরিকাল টিতে।

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার প্রশ্ন উত্তর:

প্রশ্নঃ। স্কুলে গিয়ে তোত্তো চান কী দেখেছিল?

উঃ। স্কুলে গিয়ে তোত্তো চান দেখেছিল ইয়াসুয়াকি চান ফুলগাছগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে আছে। তোত্তো-চান দারোয়ানের ঘর থেকে মই সংগ্রহ করেছিল।

প্রশ্নঃ। তোত্তো-চান কোথা থেকে মই সংগ্রহ করেছিল?

উঃ।তোত্তো-চান দারোয়ানের ঘর থেকে মই সংগ্রহ করেছিল?

প্রশ্নঃ। মইয়ের মাথায় পৌঁছেও ইয়াসুয়াকি-চান গাছের উপর উঠতে পারছিল না কেন?

উঃ। মইয়ের মাথায় পৌঁছেও ইয়াসুয়াকি-চান গাছের উপর উঠতে পারছিল না কারণ পোলিয়োতে ওর সব দলা পাকিয়ে গিয়েছিল।

প্রশ্নঃ। ইয়াসুয়াকি-চানের হাতটা কেমন ছিল?

উঃ। ইয়াসুয়াকি-চানের হাতটা বড়ো ছিল, আঙুলগুলোও ছিল অনেকটা লম্বা।

উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

প্রশ্নঃ। তোত্তো-চান গাছের ওপর উঠে কীভাবে সময় কাটাত?

উঃ। তোত্তো-চানের গাছটি ছিল বেড়ার কাছে। গাছটি ছিল বেশ বড়ো এবং তার গা-টা ছিল পিছল। সেই গাছটিতে উঠে তোত্তো-চান প্রায়ই টিফিনের সময় বা ছুটির পরে নীচের লোকজন আর উপরের আকাশটাকে দেখে সময় কাটাত।

প্রশ্নঃ। ছেলেমেয়েরা গাছগুলোকে কীভাবে আপন করে নিয়েছিল?

উঃ। স্কুল চত্বরে যতগুলো গাছ ছিল ছেলেমেয়েরা প্রত্যেকে তার একটা করে দখল করে নিয়েছিলযার গাছে চড়ত। তারা মনে করত গাছগুলো তাদের নিজেদের সম্পত্তি। এজন্য অন্য কারও গাছে চড়তে হলে একজনকে অন্যকে বিনীতভাবে ভিতরে আসার কথা বলতে হত।

প্রশ্নঃ। বন্ধুকে কীভাবে গাছে ওঠাবে বলে তোত্তো-চান পরিকল্পনা করেছিল?

উঃ। তোত্তো চানের বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চানের পোলিয়োর জন্য পায়ে অসুবিধে থাকায় ওর নিজস্ব কোনো গাছ ছিল না। তাই তোত্তো-চান তাকে ওর গাছে ওঠার নিমন্ত্রণ করেছিল। বাড়িতে এই কথা শুনলে সবাই ঝামেলা করবে জেনে সে এই কথা কাউকে বলেনি। মাকে মিথ্যে বলে তোত্তো-চান বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। স্কুলে পৌঁছে তেত্তো-চান ইয়াসুয়াকি চানকে নিয়ে ওর গাছের দিকে এগিয়ে গেল এবং তারপর দারোয়ানের ঘর থেকে মই নিয়ে আসতে গেল। এই রকমই সে আগের রাত থেকে ভেবে রেখেছিল।

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার গল্প:

প্রশ্নঃ। টেলিভিশনের গল্প শুনে তোত্তো-চান কী ভেবেছিল?

উঃ। তোত্তো-চান তার বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চানের কাছে জেনেছিল টেলিভিশন একটা বাক্সের মতন। সে ভেবেছিল একটা ঘরের ভিতর একটা বাক্সের মধ্যে বড়ো বড়ো সুমো পালোয়ানদের দেখা কীভাবে সম্ভব। যদি তা সত্যিই হয় তাহলে ব্যাপারটা দারুণ হবে।

প্রশ্নঃ। ‘এই প্রথম তোত্তো-চান বুঝতে পারল…’ তোত্তো-চান কী বুঝতে পারল? কাজটা কেন সহজ ছিল না লেখো।

উঃ। ইয়াসুয়াকি-চানকে মইতে উঠিয়ে গাছে তুলে দেওয়া সহজ কাজ ছিল না। এটা তোত্তো-চান বুঝতে পারল। ইয়াসুয়াকি-চানের পোলিয়ো থাকায় পায়ে অসুবিধা ছিল। তার হাতে পায়ে এতই জোর কম ছিল যে গাছে ওঠার মইয়ের প্রথম ধাপটাও বিনা সাহায্যে ওঠা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তোত্তো-চান ইয়াসুয়াকি-চানকে নীচ থেকে ঠেলে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করতে লাগল। মইটাকে সোজা করেও রাখা যাচ্ছিল না আর তোত্তো-চান ও ছিল ছোটোখাটো রোগা ইয়াসুয়াকি-চানকে মূইতে তুলে গাছে ওঠানো তোত্তো-চানের কাছে সহজ কাজ ছিল না।

তোত্তো-চানের-অ্যাডভেঞ্চার-গল্প-প্রশ্ন-উত্তর-Teacj-Sanjib

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার গল্প প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ। তোত্তো-চান তার বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চানকে গাছে ওঠার নিমন্ত্রণ করেছিল কেন?

উঃ। ইয়াসুয়াকি-চান ওর গাছে চড়বে এটাই ছিল তোত্তো-চানের ইচ্ছা। ইয়াসুয়াকি-চানের পোলিয়োর জন্য পায়ে অসুবিধা ছিল। তাই ওর নিজস্ব কোনো গাছ ছিল না। তাই তেত্তো-চান ইয়াসুয়াকি-চানকে ওর গাছে ওঠার নিমন্ত্রণ করেছিল।

প্রশ্নঃ। দুই বন্ধু গাছের উপর বসে টেলিভিশন নিয়ে কী গল্প করেছিল?

উঃ। দুই বন্ধু গাছের উপর বসে টেলিভিশন নিয়ে নানান গল্প করছিল। ইয়াসুয়াকি-চান বলছিল তার দিদি আমেরিকায় থাকে। সে বলেছিল তাদের টেলিভিশন বলে একটি জিনিস আছে। টেলিভিশন নাকি একটা বাক্সের মতো দেখতে। সে আরও বলেছিল জাপানে যখন টেলিভিশন আসবে তখন বাড়িতে বসেই সুমো পালোয়ানদের দেখা যাবে।

প্রশ্নঃ। বাড়ি বা স্কুলের কোন্ গাছটা তোমার একেবারে নিজের বলে মনে হয়? সেই বন্ধুর যত্ন তুমি কীভাবে করো?

উঃ। আমার দাদার স্কুলে পরিবেশের কাজের জন্য একটি ছোটো চারাগাছ টবে বসিয়ে দেখাতে হয়েছিল। গা ছিল একটি অর্জুন গাছের চারা। কাল হয়ে গেলে দাদা গাছটি আমায় দিয়ে দেয়। এরপর আমি সেই গাছটিকে আলাদা টবে বসাই। অর্জুন গাছটিকে আমার বন্ধু বলে মনে করি। রোজ তাকে জল গাছটি এখন বেশ খানিকটা বড়ো হয়েছে। মাঝে মাঝে তার একেকটা পাতা থেকে যায়। তখন আমি সেগুলি ফেলে দিই। মাঝে মাঝে গাছটির গোড়ার কাছে মাটি খুঁড়ে দিই। এভাবেই আমি তার যত্ন করার চেষ্টা করি।

প্রশ্নঃ। গাছে যদি তোমার একটি বাড়ি থাকত, তুমি কীভাবে সেখানে সময় কাটাতে কয়েকটি বাক্যে লেখো।

উঃ। গাছে যদি আমার একটি বাড়ি থাকত তাহলে আমি অবসর সময়টি সেই বাড়িতে কাটাতাম। ছুটির দিনে সকালে জলখাবার খেয়ে আমি গাছবাড়িতে গিয়ে বসতাম এবং আমার প্রিয় বইটি সেখানে বসে পড়তাম। কোনো দিন বিকেলে খেলার সময় বৃষ্টি পড়লে আমি গাছবাড়িতে বসে দূরের দৃশ্যের ছবি এঁকে সময় কাটাতাম।

১০. প্রতিশব্দ লেখো :

গাছ-বৃক্ষ, তরু, পাদপ।

সূর্য-তপন, ভানু, দিবাকর, রবি।

আকাশ—গগন, অম্বর, ব্যোম, নভঃ।

মাটি–মৃত্তিকা, ভূমি। রাস্তা পথ, সড়ক, সরণি।

১১. বর্ণ বিশ্লেষণ করো :

তরতর–ত্ + অ + র্ + অ + ত + অ + র্ ছোটোখাটো—ছ্ + ও + ট্ + ও + খ্ + আ + ট্ + ও।

লাজুক–ল্ + আ + জ্ + উ + ক্।

অ্যাডভেঞ্চার–অ + য় + আ + উ + ভ + এ + ন + ঞ + চ্ + আ + র্।

১২. নীচের গদ্যটিতে যতিচিহ্ন ব্যবহার করো :

তোত্তো-চান ঘামে ভেজা চুল মুখের ওপর থেকে সরিয়ে মাথা নীচু করে ইয়াসুয়াকি-চানকে আমন্ত্রণ জানাল স্বাগতম ইয়াসুয়াকি-চান গাছের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে লাজুক ভাবে হেসে বলল আসতে পারি ভেতরে ওতো কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি এর আগে গাছে ওঠা ব্যাপারটা তাহলে এইরকম বলে ও হাসল। চুল মুখের ওপর থেকে সরিয়ে মাথা নীচু করে ইয়াসুয়াকি-চানকে আমন্ত্রণ

উঃ। তোত্তো-চান ঘামে ভেজা চুল মুখের ওপর থেকে সরিয়ে মাথা নীচু করে আমন্ত্রণ জানাল ‘স্বাগতম’! ইয়াসুয়াকি-চান গাছের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে লাজুক ভাবে হেসে বলল, ‘আসতে পারি ভেতরে? ওতো কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি এর আগে। গাছে ওঠা ব্যাপারটা তাহলে এইরকম!’ বলে ও হাসল।

পাঁচটি বাক্য লেখো : খেলা, গাছ, নেমন্তন্ন।
উঃ। খেলা : শিশুদের একটি প্রিয় বিষয় খেলা। প্রায় প্রতিটি ছোটো ছেলেমেয়ে স্কুল থেকে ফিরে বিকেলবেলা খেলা করে। বেশিরভাগ ছেলেরা ফুটবল খেলা পছন্দ করে। আমরা অনেকেই টিভিতে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা দেখে থাকি। ছোটো মেয়েরা দল বেঁধে পুতুল খেলা করে।

গাছ ঃ গাছ আমাদের খুবই উপকারী বন্ধু। গাছ ফল, ফুল দিয়ে আমাদের উপকার করে। গাছ আমাদের শীতল ছায়া দেয়। বট, অশ্বত্থ, নিম, তেঁতুল প্রভৃতি গাছ অনেকদিন বাঁচে। জলের মধ্যে অনেকরকম গাছ জলের প্রাণীদের বাঁচিয়ে রাখে।

নেমন্তন্ন ঃ নেমন্তন্ন বাড়িতে যেতে আমাদের সবারই ভালো লাগে। নেমন্তন্ন পেলে ছোটোরা যাওয়ার দিন গোনে। বিয়ে, পূজা, অন্নপ্রাশন, জন্মদিন এই সব উৎসবে মানুষ মানুষকে নেমন্তন্ন করে। নেমন্তন্ন বাড়িতে অনেকরকম লোভনীয় খাবার তৈরি হয়। অনেক মানুষ দূরে থাকেন এবং তাদের বাড়িতে একবার আসার জন্য নেমন্তন্ন করেন।

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:

প্রশ্নঃ।. ইয়াসুয়াকি-চালের বাড়ি কোথায় ছিল?

উঃ ইয়াসুয়াকি চানের বাড়ি ছিল ডেনেনচকু তে।

প্রশ্নঃ।. ছেলেমেয়েরা গাছগুলোকে কী মনে করত?

উঃ। ছেলেমেয়েরা গাছগুলোকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করত।

প্রশ্নঃ।. তোত্তো-ঢানের স্কুলে সেদিন কেউ ছিল না কেন?

উ। তোত্তো চানের স্কুলে সেই সময় গ্রীষ্মের ছুটি চলছিল।

প্রশ্নঃ. দারোয়ানের ঘর থেকে তোত্তো-চান কী পেয়ে গিয়েছিল ?

উঃ। তোত্তো-চান দারোয়ানের ঘর থেকে বাড়ির সিঁড়ির মতন একটি মই পেয়ে গিয়েছিল।

প্রশ্নঃ. দুজনের মাথাতে তখন কী চিন্তা ছিল?

উঃ। দুজনের মাথাতে তখন একটাই চিন্তা ছিল যে ইয়াসুয়াকি-চানকে গাছে চড়তেই হবে।

প্রশ্নঃ তোত্তো-চান কাঁদেনি কেন?

উঃ। তেত্তো-চান এর কান্না পেলেও সে কাঁদেনি কারণ সে কাঁদলে যদি ইয়াসুয়াকি-চান কেঁদে ফেলে সেই জন্য।

প্রশ্নঃ. তোত্তো-চানের খুব হাসি পেল কেন?

উঃ। তারা যে লুকিয়ে কিছু একটা করতে চলেছে এটা ভেবেই তোত্তো-চানের খুব হাসি পেল।

প্রশ্নঃ. কার দিদি আমেরিকায় থাকে? তাদের বাড়িতে কী আছে?

উঃ। ইয়াসুয়াকি-চানের দিদি আমেরিকায় থাকে। তাদের বাড়িতে টেলিভিশন আছে ।

প্রশ্নঃ. গাছের ডালে বসে দুটি শিশু কী করছিল?

উঃ। গাছের ডালে বসে দুটি শিশু পরম আনন্দে গল্প করছিল।

প্রশ্নঃ. পোলিয়ো কী ?

উঃ। পোলিয়ো একটি জীবাণুবাহিত সংক্রামক অসুখ।

প্রশ্নঃ. ভারত কি পোলিয়ো মুক্ত দেশ ?

উঃ। হ্যাঁ। ২০১২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতকে পোলিয়ো মুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রশ্নঃ. তোত্তো চান কেন জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিল?

উঃ। বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চান নিজের সমস্ত আস্থা রেখেছিল তোত্তো চানের উপরে। তাই তার মধ্যে তেত্তো চান জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিল।

তোত্তো চানের অ্যাডভেঞ্চার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ পাঠ্য গল্প অনুসারে তোত্তো-চানের গাছটির বর্ণনা দাও।

উঃ। তোত্তো-চানের গাছটি ছিল বেড়ার কাছে। যে রাস্তাটি কুহনবুৎসুর দিকে চলে গেছে ঠিক তার ধারে। গাছটি ছিল বেশ বড়ো এবং তার গা-টা পিছল। মাটি থেকে হ-ফুট উঁচুতে গাছটির একটা ডাল এমনভাবে ভাগ হয়ে গেছে যে তার উপরে চড়লে মনে হয় যেন একটা দড়ির দোলনায় চাপা হয়েছে।

প্রশ্ন. ‘দাঁড়াও, একটা জিনিস করা যাক। -কে কী জিনিস করে দেখাল?

উঃ। তোত্তো-চান সাধারণ মইতে করে ইয়াসুয়াকি-চানকে গাছে চড়াতে না পেরে ওই কথাটি বলে দারোয়ানের ঘরে ছুটে গিয়েছিল। সেখানে সে একটার পর একটা জিনিস টেনে বের করছিল। যদি কাজে লাগে এমন কোনো জিনিসের জন্য শেষ পর্যন্ত সে একটা বাড়ির সিঁড়ির মতন মই পেয়ে গেল। সেই সিঁড়ি মইটাকে সে গাছের গোড়ায় টেনে নিয়ে এসেছিল এবং বেশ বিজ্ঞ ভাব করে ইয়াসুয়াকি-চান কে বলেছিল, আর ভয় নেই এটা লকবক করবে না।

প্রশ্নঃ. ‘তারপর বাকিটা যেন অসম্ভব মনে হল’,—কোন্ কাজটি অসম্ভব মনে হল? অসম্ভব কাজটি সম্ভব করার জন্য কে, কী করেছিল?

উঃ। ইয়াসুয়াকি-চান মইয়ের মাথায় পৌঁছোনোর পর তোত্তো-চান লাফিয়ে দুভাগ হওয়া ডালে চড়ে বসল। কিন্তু এরপরের কাজটি তোত্তো-চানের কাছে অসম্ভব মনে হল, কারণ সে ভেবেই পাচ্ছিল না কীভাবে সে ইয়াসুয়াকি চানকে মই থেকে গাছের ডালে নিয়ে আসবে।

এরপর কাজটি সম্ভব করতে গিয়ে তোত্তো-চানের খুবই কান্না পাচ্ছিল। কিন্তু সে না কেঁদে ইয়াসুয়াকি-চানের হাতটা ধরল। অনেকক্ষণ হাতটা ধরে থাকার পরে তোত্তো-চান ইয়াসুয়াকি চানকে বলল তুমি শুয়ে পড়ো আমি দেখি তোমাকে টেনে তুলতে পারি কিনা। এরপর তোত্তো-চান নিজের ছোট্ট হাতের মুঠোয় ইয়াসুয়াকি-চানের হাতটি ধরে সমস্ত শক্তি দিয়ে তাকে টেনে তুলতে চেষ্টা করল। অবশেষে দুজনে গাছের ডালের উপর মুখোমুখি দাঁড়াতে পারল।

প্রশ্নঃ। – ওরা দুজন কে?

উঃ। ওরা দুজন হল তেত্তো-চান ও তার বন্ধু ইয়াসুয়াকি-চান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *